০৫:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নালিতাবাড়ীর গারো পাহাড়ে আহত বন্যহাতির দ্বিতীয় দফায় সফল চিকিৎসা

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়ের গভীরে আহত অবস্থায় থাকা একটি বন্যহাতিকে দ্বিতীয় দফায় সফলভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

প্রায় এক মাস ধরে পায়ে গভীর ক্ষত নিয়ে ওই হাতিটি পাহাড়ে ঘোরাফেরা করছিল। গত ১ মে প্রথম দফায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর দুই সপ্তাহের মধ্যেই ক্ষতস্থানের প্রায় ৮০ শতাংশ সুস্থ হয়ে ওঠে।

রোববার (১৮ মে) দ্বিতীয় দফায় ফের হাতিটিকে অচেতন করে তার পায়ের অবশিষ্ট ক্ষত পরীক্ষা ও চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়। পরে তাকে আবার পাহাড়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বুরুঙ্গা কালাপানি পাহাড়ের বড়খোল এলাকায় হাতিটির অবস্থান শনাক্ত করে চিকিৎসক দল প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন।

ময়মনসিংহ বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ ও শেরপুর বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি দল এবং স্থানীয় প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ের চিকিৎসকরা যৌথভাবে এই চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

চিকিৎসায় অংশ নেন গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, নালিতাবাড়ী প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. সাকিব হোসেন সাগর, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শাহীন কবির, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ড লাইফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল আমিন, এবং মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা দেওয়ান আলীসহ আরও অনেকে।

বন বিভাগ জানিয়েছে, আহত হাতিটির সুস্থতা নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের উদ্যোগ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

হালুয়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম

ইয়াবার বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান, ফুলপুরে আটক ১ 

10 August 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

নালিতাবাড়ীর গারো পাহাড়ে আহত বন্যহাতির দ্বিতীয় দফায় সফল চিকিৎসা

পোষ্টের সময় : ১০:৩২:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়ের গভীরে আহত অবস্থায় থাকা একটি বন্যহাতিকে দ্বিতীয় দফায় সফলভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

প্রায় এক মাস ধরে পায়ে গভীর ক্ষত নিয়ে ওই হাতিটি পাহাড়ে ঘোরাফেরা করছিল। গত ১ মে প্রথম দফায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর দুই সপ্তাহের মধ্যেই ক্ষতস্থানের প্রায় ৮০ শতাংশ সুস্থ হয়ে ওঠে।

রোববার (১৮ মে) দ্বিতীয় দফায় ফের হাতিটিকে অচেতন করে তার পায়ের অবশিষ্ট ক্ষত পরীক্ষা ও চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়। পরে তাকে আবার পাহাড়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

বুরুঙ্গা কালাপানি পাহাড়ের বড়খোল এলাকায় হাতিটির অবস্থান শনাক্ত করে চিকিৎসক দল প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন।

ময়মনসিংহ বন বিভাগের মধুটিলা রেঞ্জ ও শেরপুর বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি দল এবং স্থানীয় প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ের চিকিৎসকরা যৌথভাবে এই চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

চিকিৎসায় অংশ নেন গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, নালিতাবাড়ী প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. সাকিব হোসেন সাগর, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শাহীন কবির, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার, ওয়াইল্ড লাইফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল আমিন, এবং মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা দেওয়ান আলীসহ আরও অনেকে।

বন বিভাগ জানিয়েছে, আহত হাতিটির সুস্থতা নিশ্চিত করতে পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের উদ্যোগ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Share this news as a Photo Card