০৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নয়াদিল্লিতে ভারতীয় সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

 

প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ তথ্য জানিয়েছেন রিয়াজ।

 

এক্সপোস্টে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, “নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সন্তুষ্ট। প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে।”

 

বিভিন্ন কারণেই বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত এবং ভারতীয় সেনাপ্রধানের এ বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই প্রথম এমন বৈঠক হলো দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে।

 

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে যে অন্তবর্তী সরকার গঠিত হয়, সেটি ক্ষমতাসীন ছিল ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৮ মাস। এই ১৮ মাসে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো বৈঠক হয়নি; উপরন্তু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। তবে সে সময় প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে কয়েক বার বৈঠক করেছে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সেনাকর্মকর্তারা সে সময় ঘন ঘন ঢাকা-ইসলামাবাদে আসা-যাওয়াও করেছেন।

 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান— দক্ষিণ এশিয়ার এই চার দেশ বিবিআইএন নামের একটি জোটের সদস্য। এই জোটের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সদস্যরাষ্ট্রদের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং ভারত মহাসাগরের নিরাপত্তাকে দৃঢ় করা।

 

সূত্র : এনডিটিভি

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

মদনে মসজিদের জমি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬

মমেকের ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রোগী ১৩০, ঠাঁই মেঝে-বারান্দায়

25 September 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

নয়াদিল্লিতে ভারতীয় সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

পোষ্টের সময় : ০৯:৩৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

 

প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতামূলক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এ তথ্য জানিয়েছেন রিয়াজ।

 

এক্সপোস্টে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, “নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সন্তুষ্ট। প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে।”

 

বিভিন্ন কারণেই বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত এবং ভারতীয় সেনাপ্রধানের এ বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই প্রথম এমন বৈঠক হলো দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে।

 

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে যে অন্তবর্তী সরকার গঠিত হয়, সেটি ক্ষমতাসীন ছিল ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৮ মাস। এই ১৮ মাসে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো বৈঠক হয়নি; উপরন্তু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। তবে সে সময় প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা ইস্যুতে পাকিস্তানের সঙ্গে কয়েক বার বৈঠক করেছে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সেনাকর্মকর্তারা সে সময় ঘন ঘন ঢাকা-ইসলামাবাদে আসা-যাওয়াও করেছেন।

 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান— দক্ষিণ এশিয়ার এই চার দেশ বিবিআইএন নামের একটি জোটের সদস্য। এই জোটের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সদস্যরাষ্ট্রদের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং ভারত মহাসাগরের নিরাপত্তাকে দৃঢ় করা।

 

সূত্র : এনডিটিভি

 

Share this news as a Photo Card