০২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাদাম বিক্রির পথে শেষ যাত্রা, ফুলপুর রাংশা নদীতে মিলল শফিকের নিথর দেহ

 

জীবিকার তাগিদে বাদাম বিক্রি করতে বেরিয়েছিলেন শফিক মিয়া (৪৫)। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হলো না তার। ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের রাংশা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এই বাদাম বিক্রেতার মরদেহ।

 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শফিক মিয়া উপজেলার চক ঢাকিরকান্দা গ্রামের মুফতি হামিদুর রহমানের ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শফিক মিয়া জীবিকার প্রয়োজনে বিভিন্ন এলাকায় বাদাম বিক্রি করতেন। শুক্রবার বাদাম বিক্রির উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পথে তিনি রাংশা নদীর তীরে কিছুক্ষণ বসেছিলেন। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা তাকে নদীতে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

 

স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নদীতে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে তার শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

 

ফুলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

৩৩ ঘণ্টা পর কংস নদীতে মিলল সেই আছির উদ্দিনের নিথর দেহ 

তারেক রহমানকে ভারত সফরে মোদির আমন্ত্রণ

24 July 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

বাদাম বিক্রির পথে শেষ যাত্রা, ফুলপুর রাংশা নদীতে মিলল শফিকের নিথর দেহ

পোষ্টের সময় : ০৯:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

 

জীবিকার তাগিদে বাদাম বিক্রি করতে বেরিয়েছিলেন শফিক মিয়া (৪৫)। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হলো না তার। ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের রাংশা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এই বাদাম বিক্রেতার মরদেহ।

 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শফিক মিয়া উপজেলার চক ঢাকিরকান্দা গ্রামের মুফতি হামিদুর রহমানের ছেলে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শফিক মিয়া জীবিকার প্রয়োজনে বিভিন্ন এলাকায় বাদাম বিক্রি করতেন। শুক্রবার বাদাম বিক্রির উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পথে তিনি রাংশা নদীর তীরে কিছুক্ষণ বসেছিলেন। এর কিছুক্ষণ পর স্থানীয়রা তাকে নদীতে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

 

স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নদীতে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে তার শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

 

ফুলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

Share this news as a Photo Card