বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও ক্রিকেট তারকা তামিম ইকবাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরিচালক পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিলেও শেষ মুহূর্তে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়িয়েছেন।
তামিম জানান, তিনি মূলত ক্রিকেট অপারেশনে সক্রিয়ভাবে কাজ করার জন্য নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ক্রিকেটের মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই তার ভাবনা ছিল। বিশেষ করে তিনি “এক্সিলেন্স সেন্টার” গড়ে তোলা ও স্কুল ক্রিকেট পুনরুজ্জীবিত করার মতো বড় পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও নানা জটিলতায় তিনি নিরুৎসাহিত হয়েছেন। তাই নিজেকে এই দৌড় থেকে সরিয়ে নিয়েছেন।
তিনি বলেন, ক্রিকেটার হিসেবে দেশে ও বোর্ডে অবদান রাখার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তবে পরিচালক পদে নির্বাচনে দাঁড়িয়ে সেটি করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আপাতত তিনি সেই পথে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এদিকে বিসিবি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৬ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। একই দিনে সন্ধ্যায় ফল ঘোষণা করা হবে। এবারের নির্বাচনে মোট ২৫টি পরিচালক পদে ভোট হবে। ইতিমধ্যে কয়েকজন প্রভাবশালী প্রার্থী মাঠে নেমেছেন। তামিম ইকবালের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করায় নির্বাচনী লড়াইয়ে এক ধরনের পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা।
তামিমের এই সিদ্ধান্তে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, তার মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারের সরাসরি প্রশাসনিক ভূমিকায় না আসা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ক্ষতি। আবার কেউ কেউ বলছেন, তামিম যদি মাঠের বাইরেও ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যান, তবুও তা দেশের জন্য বড় উপকার বয়ে আনবে।
সবশেষে তামিম ইকবাল জানান, তিনি সবসময় দেশের ক্রিকেটের পাশে ছিলেন এবং থাকবেন। নির্বাচনে না দাঁড়ালেও অন্যভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে চান তিনি।
স্টাফ রিপোর্টার 
























