সোমবার রাতে নেত্রকোনার মদন উপজেলার বাঁশরী গ্রামে ইয়াবা কারবারকে কেন্দ্র করে লিটন মিয়াকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ইয়াবা কারবারি লিয়ন মিয়ার বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত লিটন মিয়াকে দ্রুত মদন হাসপাতালে নেওয়া হয়, বর্তমানে তিনি মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন।
জানা যায়, বাঁশরী গ্রামের স্বপন মিয়ার ছেলে লিয়ন মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের ফয়জুর রহমানের ছেলে আনার মিয়া এবং মাজু মিয়ার ছেলে ফখর উদ্দিনের ইয়াবা কারবার নিয়ে বাঁশরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আনার ও ফখর উদ্দিন লিয়নকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
লিয়ন মিয়া মারধরের পর বাড়িতে ফিরে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আনার ও ফখর উদ্দিনের ওপর আক্রমণ করেন। পাশে থাকা লিটন তাদের পক্ষ নিলে লিয়নসহ আরও কয়েকজন লিটনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করে।
মঙ্গলবার ঘটনাস্থল গ্রামের বাড়িতে গেলে লিয়নসহ তার পরিবারের কোনো পুরুষ সদস্যকে পাওয়া যায়নি। এ সময় লিয়নের চাচি শিউলি আক্তার জানান, লিয়নের সঙ্গে মাজু ও ফখর উদ্দিনের কথাকাটাকাটি হয়; এক পর্যায়ে তারা লিয়নকে মারধর করে। পরে ক্ষুব্ধ হয়ে লিয়ন তাদের মারতে গেলে লিটন তাদের পক্ষ নেওয়ায় লিয়নরা লিটনকে মারধর করে। কী নিয়ে মারধর হয়েছে—জানতে চাইলে তিনি সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি; তবে লিয়ন ও তারা মাদকাসক্ত—এ কথা স্বীকার করেন।
লিটনের বোন সুলেমা আক্তার বলেন, আমার ভাই কোনো অপরাধী ছিল না। তারা মারধর করছিল, আর তার একমাত্র “অপরাধ” ছিল কেন সে বাধা দিতে গেল। কী নিয়ে এমন ঘটনা হলো—জানতে চাইলে তিনি আরও জানান, তারা মূলত ইয়াবা ব্যবসা করে, হয়তো তাদের মধ্যে কোনো ঝামেলা হয়েছিল।
মোঃ শামসুল আলম শাহ জানান, এ ব্যাপারে তার জানা নেই; তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

























