২০২৫‑২৬ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষা যুক্ত করার পরিকল্পনা থাকলেও এবার তা বাতিল করা হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ফল প্রকাশে বিলম্ব এবং মূল্যায়নে জটিলতা এড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে, পরীক্ষার ধরন আগের মতো এমসিকিউ (MCQ) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC) এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান ও মানবিক গুণাবলী বিষয়ের গুরুত্ব কিছুটা বাড়ানো হতে পারে। এই পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের বহুমুখী দক্ষতা মূল্যায়ন করা। তবে বিষয় ও নম্বর বণ্টনের ক্ষেত্রে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেছেন, “লিখিত পরীক্ষা যুক্ত করলে ফল প্রকাশে সময় লাগত এবং মূল্যায়নের কাজ আরও জটিল হতো। তাই এমসিকিউ পদ্ধতিই কার্যকর এবং সময়োপযোগী।” এ সিদ্ধান্তের ফলে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি মূলত MCQ ভিত্তিক থাকবে।
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী আগে লিখিত পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত প্রস্তুতির চাপ অনুভব করত, যা এবার কমে যাবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মৌলিক জ্ঞান ও বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতার ওপর বেশি ফোকাস থাকবে।
এছাড়াও, ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় দ্রুততা বজায় থাকবে। এমসিকিউ পদ্ধতি পরীক্ষার মান ও ফলাফলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, ভর্তি পরীক্ষা মূল কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হবে না, শুধুমাত্র কিছু বিষয় ও নম্বরের সামান্য সমন্বয় ঘটানো হতে পারে।
এবারের সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের চাপ কমাতে এবং ভর্তি প্রক্রিয়ার কার্যকারিতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক কোর্স, মডেল টেস্ট ও গাইডলাইনগুলোও MCQ ভিত্তিক থাকায় শিক্ষার্থীরা সহজেই মানিয়ে নিতে পারবে।
সর্বশেষ, ভর্তি পরীক্ষা আগের মতোই নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সম্পন্ন হবে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও BMDC উভয়ই পরীক্ষার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে।
স্টাফ রিপোর্টার 


























