ময়মনসিংহে একটি শীর্ষ প্রহরী ও জুলাইযোদ্ধা আবু রায়হানকে ইউনাইটেড পরিবহনের বাসে মারধরের পর নামিয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) থেকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা নগরীর বাসকান্দা ইউনাইটেড বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন। শুক্রবার রাত থেকেই তারা বাসস্ট্যান্ডের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন।
অবস্থান কর্মসূচির মূল অভিযোগ হচ্ছে, স্থানীয় বাস পরিবহন সংস্থা এবং এর মালিকদের আচরণে বৈষম্য ও শারীরিক নির্যাতন। কর্মসূচি পরিচালনা করা নেতারা বলছেন, “আমাদের নেতাকে ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী এবং পরিবহন মাফিয়ার হাত থেকে অবিলম্বে সুরক্ষা দিতে হবে। এর সাথে, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ময়মনসিংহে শহিদ সাগরের হত্যাকাণ্ডের এজাহারভুক্ত আসামি আমিনুল হক শামীমকে গ্রেপ্তার করা অপরিহার্য।”
শুক্রবার রাতের পর থেকে নগরবাসী এবং আন্দোলনকারীরা বাসস্ট্যান্ডের আশেপাশে অবস্থান নিয়েছেন। শনিবার দুপুর থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ঢাকাগামী সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেন শ্রমিকরা। এর ফলে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি হলেও আন্দোলনকারীরা জানাচ্ছেন, এটি মূলত অন্যায় ও দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচির অংশ।
বৈষম্যবিরোধী নেতারা আরও জানান, ইউনাইটেড পরিবহনের মালিক এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আন্দোলন আরও বেগবান হবে। তারা দাবি করছেন, শুধু অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করাই যথেষ্ট নয়, বরং এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে অবস্থানরত কর্মসূচি চলাকালীন নেতারা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে সমর্থক সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনও সর্তক অবস্থানে আছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তবে আন্দোলনকারীদের মতে, সাধারণ মানুষ ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা, সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা এবং দায়িত্বহীন মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।
স্টাফ রিপোর্টার 























