বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের এই মাহেন্দ্রক্ষণে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র হিসেবে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং ভারত। পৃথক বার্তায় দেশগুলো বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর বাংলাদেশ তার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে, যা এবারের স্বাধীনতা দিবসকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। রুবিও বলেন, একটি মুক্ত, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকীতে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিসংগ্রামে এবং যুদ্ধ-পরবর্তী চট্টগ্রাম বন্দর মাইনমুক্ত করতে সোভিয়েত ইউনিয়নের অবদানের কথা স্মরণ করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, বর্তমান রাশিয়া বাংলাদেশের যেকোনো টেকসই উন্নয়ন ও যৌথ প্রকল্পের জন্য সর্বদা উন্মুক্ত। বিশেষ করে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগগুলো দুই দেশের জনগণের জন্য বিশেষ সুফল বয়ে আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং তৈরি পোশাক খাতের বিশ্বজয়ী নেতৃত্বের প্রশংসাও করেন তিনি।
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে পাঠানো এক বার্তায় আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ কেবল প্রতিবেশী নয়, বরং অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ভাষাগত ঐতিহ্যের গভীর বন্ধনে আবদ্ধ। গত কয়েক বছরে কানেক্টিভিটি, বাণিজ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং শিক্ষা খাতে দুই দেশের অর্জনকে তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 


























