ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনী শনিবার ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বেপরোয়া হামলা চালিয়ে আরও ৪৬ জনকে হত্যা করেছে। এর মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছেন। বিশেষভাবে গাজা সিটির তুফ্ফাহ এলাকায় একটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ১৭ জনকে একসাথে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সর্বকনিষ্ঠ নিহত শিশুর বয়স মাত্র ৮ মাস। নিহতদের মধ্যে তিনজন ছিলেন ত্রাণ প্রত্যাশী।
গতকাল রাতে সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সম্মতি জানানো সত্ত্বেও, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলকে গাজায় বোমা বর্ষণ বন্ধের নির্দেশ দেন। কিন্তু ইসরায়েল তার এই নির্দেশকে উড়িয়ে আরও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে।
এই হত্যাযজ্ঞের পর আন্তর্জাতিক মহলে চরম উদ্বেগ ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে। বিশ্ব নেতারা দ্রুত যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানাচ্ছেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইসরায়েলকে এই নৃশংসতার জন্য দোষারোপ করছে এবং ফিলিস্তিনের সাধারণ জনগণকে সুরক্ষা প্রদানের জন্য তৎপর হওয়ার দাবি করছে।
গাজা উপত্যকা দীর্ঘদিন ধরেই অবরুদ্ধ এবং নিয়মিত হামলার মুখে। বিদ্যমান সহিংসতা এবং মানবিক সংকটের কারণে সাধারণ মানুষ দৈনন্দিন জীবনে নিরাপদ বোধ করতে পারছে না। শিশু, নারী ও প্রবীণরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। ত্রাণকর্মীদের উপস্থিতি সত্ত্বেও অসংখ্য পরিবার রক্ষার বাইরে রয়েছে।
বিশ্ব সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এই হত্যাযজ্ঞের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ইসরায়েল ও হামাসকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার জন্য চূড়ান্তভাবে আহ্বান জানাচ্ছে। পাশাপাশি জাতিসংঘকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে অনেক দেশ।
এখন গাজার সাধারণ মানুষ দুঃস্বপ্নের মুহূর্ত পার করছে। চলমান হামলার ফলে অসংখ্য পরিবার ভেঙে পড়েছে। বিশ্ব সম্প্রদায় আশা করছে, দ্রুত শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মানবিক দুর্যোগ কমানো সম্ভব হবে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 
























