০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডাক্তারি পড়তে চাপ দেওয়ায় বাবাকে খুন করে ড্রামে ভরল ছেলে

 

লখনউয়ের অভিজাত আসিয়ানা এলাকায় ডাক্তারি পড়ার চাপকে কেন্দ্র করে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

 

২১ বছর বয়সি এক যুবক তার বাবাকে গুলি করে হত্যা করার পর দেহ খণ্ডবিখণ্ড করে একটি নীল প্লাস্টিকের ড্রামে লুকিয়ে রেখেছিলেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ অভিযুক্ত অক্ষত সিংকে গ্রেফতার করার পর এই লোমহর্ষক ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ্যে আসে।

 

নিহত মানবেন্দ্র সিং (৪৯) পেশায় এক মদ ব্যবসায়ী এবং প্যাথলজি ল্যাবের মালিক ছিলেন। পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোরবেলা পড়াশোনা নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া হয়। মানবেন্দ্র চেয়েছিলেন তার ছেলে বিকম ছেড়ে নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ডাক্তার হোক, কিন্তু ছেলে তাতে রাজি ছিলেন না। তর্কের এক পর্যায়ে অক্ষত তার বাবার লাইসেন্সকৃত রাইফেল দিয়ে তাকে গুলি করেন। এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে অক্ষতের একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছোট বোনের চোখের সামনেই। কাউকে কিছু বললে তাকেও মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

 

হত্যাকাণ্ডের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য অক্ষত বাড়ির তিন তলা থেকে দেহটি টেনে নিচে নামিয়ে আনেন এবং ঘরোয়া যন্ত্রপাতি দিয়ে দেহটি কয়েক খণ্ড করেন। দেহের হাত ও পাগুলো গাড়িতে করে শহরের উপকণ্ঠে একটি নির্জন এলাকায় ফেলে দিয়ে আসেন, আর ধড় ও মাথাটি একটি নীল ড্রামে ভরে বাড়ির নিচতলার একটি ঘরে লুকিয়ে রাখেন।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

দল বা প্রশাসনের কেউ অপরাধে জড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: প্রিন্স

সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতি, 'মাশরেকী' পদক পেলেন ঈশ্বরগঞ্জের মুজিবুর রহমান

30 September 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

ডাক্তারি পড়তে চাপ দেওয়ায় বাবাকে খুন করে ড্রামে ভরল ছেলে

পোষ্টের সময় : ০২:৩৩:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

লখনউয়ের অভিজাত আসিয়ানা এলাকায় ডাক্তারি পড়ার চাপকে কেন্দ্র করে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

 

২১ বছর বয়সি এক যুবক তার বাবাকে গুলি করে হত্যা করার পর দেহ খণ্ডবিখণ্ড করে একটি নীল প্লাস্টিকের ড্রামে লুকিয়ে রেখেছিলেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ অভিযুক্ত অক্ষত সিংকে গ্রেফতার করার পর এই লোমহর্ষক ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ্যে আসে।

 

নিহত মানবেন্দ্র সিং (৪৯) পেশায় এক মদ ব্যবসায়ী এবং প্যাথলজি ল্যাবের মালিক ছিলেন। পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোরবেলা পড়াশোনা নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া হয়। মানবেন্দ্র চেয়েছিলেন তার ছেলে বিকম ছেড়ে নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ডাক্তার হোক, কিন্তু ছেলে তাতে রাজি ছিলেন না। তর্কের এক পর্যায়ে অক্ষত তার বাবার লাইসেন্সকৃত রাইফেল দিয়ে তাকে গুলি করেন। এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে অক্ষতের একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছোট বোনের চোখের সামনেই। কাউকে কিছু বললে তাকেও মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

 

হত্যাকাণ্ডের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য অক্ষত বাড়ির তিন তলা থেকে দেহটি টেনে নিচে নামিয়ে আনেন এবং ঘরোয়া যন্ত্রপাতি দিয়ে দেহটি কয়েক খণ্ড করেন। দেহের হাত ও পাগুলো গাড়িতে করে শহরের উপকণ্ঠে একটি নির্জন এলাকায় ফেলে দিয়ে আসেন, আর ধড় ও মাথাটি একটি নীল ড্রামে ভরে বাড়ির নিচতলার একটি ঘরে লুকিয়ে রাখেন।

 

Share this news as a Photo Card