নড়াইলে পিটুনিতে গুরুতর আহত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মাসুদ রানা শেখ (৪৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত মাসুদ রানা কালিয়া উপজেলার বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ছিলেন। তিনি শুক্তগ্রামের মৃত সবর শেখের ছেলে।
নিহতের ভাই ওমর সানী শেখ অভিযোগ করেছেন, মাদক বেচাকেনায় বাধা দেওয়ায় স্থানীয় খাঁ বংশের লোকজন পরিকল্পিতভাবে মাসুদ রানাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শুক্তগ্রামের দত্তমোড় এলাকা থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের একদল লোক মান্দার খানের বাড়ির পাশে মাসুদ রানার ওপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে তারা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে রাতে খুলনা মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের ভাই জানান, শুক্তগ্রামের সুজন খান (১৮) এই হামলার নেতৃত্ব দেয়। এ ঘটনায় স্থানীয় ওয়াকিল, হুমায়ুন, মান্দার, জসিম, আকবর, হাফিজুরসহ আরও অনেকে জড়িত বলে তিনি দাবি করেন।
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মঞ্জুরুল সাইদ বাবু বলেন, “মাসুদ রানাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। তবে কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা এখনো স্পষ্ট নয়।”
কালিয়া থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, নিহতের মরদেহ এখনো এলাকায় পৌঁছায়নি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে।
এই ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের হয়নি, তবে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র। এলাকাবাসীর মধ্যে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্টাফ রিপোর্টার 






















