০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নয়াদিল্লিতে প্রথমবারের মতো জামদানি উৎসব শুরু

 

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়িকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে এক অনন্য জামদানি প্রদর্শনী। ভারতের জাতীয় কারুশিল্প জাদুঘরে আয়োজিত এই প্রদর্শনীর উদ্যোগ নিয়েছে নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন। পাঁচদিনব্যাপী এ উৎসব শুরু হয়েছে শুক্রবার এবং চলবে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

 

এই প্রদর্শনীটির তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ভারতীয় বস্ত্র গবেষক ও কারুশিল্প বিশেষজ্ঞ চন্দ্রশেখর ভেদা, যিনি নিজেও জামদানির নকশা ও ইতিহাস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তাঁর উদ্যোগেই বাংলাদেশের কারিগরদের নিয়ে আয়োজনটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

 

প্রদর্শনীতে উপস্থিত দর্শনার্থীরা সরাসরি জামদানি শাড়ি তৈরির প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করতে পারছেন। বাংলাদেশ থেকে আগত কয়েকজন দক্ষ তাঁতি现场ে বসেই তাদের বুননশৈলী প্রদর্শন করছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে জামদানি শিল্পের সূক্ষ্মতা, সময়সাপেক্ষতা ও নান্দনিকতা নতুনভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে।

 

উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রদর্শনীতে রয়েছে দুটি প্রায় দেড়শ’ বছরের পুরনো দুর্লভ জামদানি শাড়ি, যা এই শিল্পের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরছে।

 

চন্দ্রশেখর ভেদা জামদানি সম্পর্কে বলেন, “এটি এমন এক শিল্প যা দেখতে হয়, অনুভব করতে হয়—যেন বাতাসে বোনা এক কল্পনার পর্দা।”

 

প্রদর্শনীতে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিল্পানুরাগী, গবেষক ও কবিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তাঁরা জামদানির নকশা, রং এবং বুননের নিখুঁততায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

 

বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও প্রদর্শনীর মাধ্যমে জামদানিকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ: কতটা প্রস্তুত আমাদের সমাজ?

দেওয়ানগঞ্জে সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ, একজনের কারাদণ্ড

06 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

নয়াদিল্লিতে প্রথমবারের মতো জামদানি উৎসব শুরু

পোষ্টের সময় : ০৭:৫৬:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়িকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে নয়াদিল্লিতে শুরু হয়েছে এক অনন্য জামদানি প্রদর্শনী। ভারতের জাতীয় কারুশিল্প জাদুঘরে আয়োজিত এই প্রদর্শনীর উদ্যোগ নিয়েছে নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন। পাঁচদিনব্যাপী এ উৎসব শুরু হয়েছে শুক্রবার এবং চলবে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

 

এই প্রদর্শনীটির তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ভারতীয় বস্ত্র গবেষক ও কারুশিল্প বিশেষজ্ঞ চন্দ্রশেখর ভেদা, যিনি নিজেও জামদানির নকশা ও ইতিহাস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। তাঁর উদ্যোগেই বাংলাদেশের কারিগরদের নিয়ে আয়োজনটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

 

প্রদর্শনীতে উপস্থিত দর্শনার্থীরা সরাসরি জামদানি শাড়ি তৈরির প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করতে পারছেন। বাংলাদেশ থেকে আগত কয়েকজন দক্ষ তাঁতি现场ে বসেই তাদের বুননশৈলী প্রদর্শন করছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে জামদানি শিল্পের সূক্ষ্মতা, সময়সাপেক্ষতা ও নান্দনিকতা নতুনভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে।

 

উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রদর্শনীতে রয়েছে দুটি প্রায় দেড়শ’ বছরের পুরনো দুর্লভ জামদানি শাড়ি, যা এই শিল্পের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরছে।

 

চন্দ্রশেখর ভেদা জামদানি সম্পর্কে বলেন, “এটি এমন এক শিল্প যা দেখতে হয়, অনুভব করতে হয়—যেন বাতাসে বোনা এক কল্পনার পর্দা।”

 

প্রদর্শনীতে ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিল্পানুরাগী, গবেষক ও কবিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তাঁরা জামদানির নকশা, রং এবং বুননের নিখুঁততায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

 

বাংলাদেশ হাইকমিশন জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও প্রদর্শনীর মাধ্যমে জামদানিকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card