বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আন্তর্জাতিক মহলে শুভেচ্ছা ও সহযোগিতার বার্তা আসতে শুরু করেছে।
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের জন্য শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলাদেশের জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এক বার্তায় তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও অর্থবহ যোগাযোগ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বিজয় এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
তিনি তারেক রহমানকে সপরিবারে ভারত সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এছাড়া ইউএই-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ানও পৃথক বার্তায় শুভেচ্ছা জানান।
বাংলাদেশ ও ইউএই-এর মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি ও উন্নয়ন খাতে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং অভিনন্দন বার্তায় বলেন, চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদার। তিনি বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা জানান।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী মিসেস তাকাইচি সানাই তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানান।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। এতে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন।
নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 














