১১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক-মাধ্যমিকে পাঠ্যবইয়ে দুর্নীতি শীর্ষে!

 

রাজধানী থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিনামূল্যে পাঠ্যবই ছাপানোর ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে।

 

২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বইগুলোতে নিম্নমানের কাগজ, মুদ্রণ ঘাটতি এবং বাঁধাই ত্রুটিসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ধরা পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু মুদ্রণ প্রেসের সঙ্গে বোর্ডের কর্মকর্তাদের অসাধু যোগসাজশের মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় ও আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে।

 

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গত বছর মোট ১১৬টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান এই বই ছাপার দায়িত্ব পেয়েছিল, তবে এর মধ্যে ২৯টি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের বই সরবরাহ করেছে। মাধ্যমিক স্তরের ক্ষেত্রে চলতি শিক্ষাবর্ষে ২৯টি মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় ১৫ লাখ ৬ হাজার ৯৪টি নিম্নমানের বই ছেপেছে।

 

এই ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষাসামগ্রী পৌঁছানো নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তাই এই ধরনের দুর্নীতি শিক্ষাক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

 

দুদক শিগগিরই সম্পূর্ণ প্রতিবেদন দাখিল করবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি অর্থের অপচয় রোধে ও শিক্ষার্থীদের অধিকার সুরক্ষায় এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা অত্যন্ত জরুরি।

 

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, পুনরায় যাচাই-বাছাই এবং মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। এছাড়া, শিক্ষকদের ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

মমেকের ৫০ শয্যার ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রোগী ১৩০, ঠাঁই মেঝে-বারান্দায়

হালুয়াঘাটে অগ্রযাত্রা কো-অপারেটিভে সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

23 September 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

প্রাথমিক-মাধ্যমিকে পাঠ্যবইয়ে দুর্নীতি শীর্ষে!

পোষ্টের সময় : ০১:৩১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

 

রাজধানী থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের বিনামূল্যে পাঠ্যবই ছাপানোর ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এই অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে।

 

২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বইগুলোতে নিম্নমানের কাগজ, মুদ্রণ ঘাটতি এবং বাঁধাই ত্রুটিসহ বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ধরা পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, কিছু মুদ্রণ প্রেসের সঙ্গে বোর্ডের কর্মকর্তাদের অসাধু যোগসাজশের মাধ্যমে সরকারি অর্থের অপচয় ও আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে।

 

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গত বছর মোট ১১৬টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান এই বই ছাপার দায়িত্ব পেয়েছিল, তবে এর মধ্যে ২৯টি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের বই সরবরাহ করেছে। মাধ্যমিক স্তরের ক্ষেত্রে চলতি শিক্ষাবর্ষে ২৯টি মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান প্রায় ১৫ লাখ ৬ হাজার ৯৪টি নিম্নমানের বই ছেপেছে।

 

এই ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষাসামগ্রী পৌঁছানো নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, তাই এই ধরনের দুর্নীতি শিক্ষাক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

 

দুদক শিগগিরই সম্পূর্ণ প্রতিবেদন দাখিল করবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি অর্থের অপচয় রোধে ও শিক্ষার্থীদের অধিকার সুরক্ষায় এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা অত্যন্ত জরুরি।

 

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, পুনরায় যাচাই-বাছাই এবং মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। এছাড়া, শিক্ষকদের ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

Share this news as a Photo Card