বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে ময়মনসিংহে শিক্ষকদের নিয়ে এক আলোচনা সভা ও গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় শিক্ষক সমাজের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
বুধবার রাতে স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি ও গণসাক্ষরতা অভিযানের যৌথ উদ্যোগে নগরীর গ্রীন পয়েন্ট রেস্টুরেন্টে এ আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার পাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর রোকেয়া খানম, প্রফেসর বিমল কান্তি দে, জেলা মানবসম্পদ উন্নয়ন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিকা পারভিন।
স্বপন কুমার পাল বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষক সমাজ একটি জাতির আলোকবর্তিকা। একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না বরং মানবিক, নৈতিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি সবসময় শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষক সমাজের মর্যাদা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। আজকের এই সম্মাননা আমাদের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতার ছোট্ট প্রয়াস মাত্র”।
প্রফেসর বিমল কান্তি দে বলেন, “আজকের বিশ্বে প্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষককে হতে হবে আজীবন শিক্ষার্থী। একজন ভালো শিক্ষকই পারে একজন শিক্ষার্থীর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে। তাই শিক্ষককে সম্মান জানানো মানে আসলে জ্ঞান ও আলোর পথকে সম্মান জানানো”।
আসাদুজ্জামান বলেন, “একজন দক্ষ ও নৈতিক শিক্ষক সমাজ উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। মানবসম্পদ উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো শিক্ষা, আর সেই শিক্ষার প্রাণ হলো শিক্ষক। তাই শিক্ষককে প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়া মানে জাতির ভবিষ্যৎকে শক্তিশালী করা। স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়”।
মনিকা পারভিন বলেন, “শিক্ষক দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, শিক্ষা শুধু বইয়ের জ্ঞান নয়, এটি চরিত্র ও নৈতিকতার বিকাশের প্রক্রিয়া। শিক্ষকরা সেই প্রক্রিয়ার পথপ্রদর্শক। আজকের এই সম্মাননা শুধু ক্রেস্ট নয়, এটি শিক্ষক সমাজের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক”।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্মী একেএম মাহবুবুল আলম, তুহিন তালুকদার, ময়মনসিংহ বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাছিমা আক্তার, আস্থা প্রকল্পের ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর খালেদ এহতেশাম, জেলা কো-অর্ডিনেটর ইমন সরকার প্রমুখ।
শাহ্ নাফিউল্লাহ সৈকত 

























