শেরপুর সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের তাহমিদুল কোরআন কওমি মাদ্রাসার আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থী টাইফয়েডের টিকা (টিসিভি) নেওয়ার জন্য প্রথমে অস্বীকৃতি জানায়। মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা মাদ্রাসায় গিয়ে টিকা দেওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু শিক্ষকরা তাদের ভেতরে ঢুকতে দেননি। অনেকবার চেষ্টা সত্ত্বেও কর্মীরা ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান।
পরবর্তীতে সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ শাহীন ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মোবারক অধ্যক্ষ ও শিক্ষকসহ অভিভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা টিকার নিরাপত্তা ও উপকারিতা তুলে ধরেন। এতে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা আগ্রহী হন এবং ধীরে ধীরে শিক্ষার্থীরা টিকা নিতে সম্মতি দেন।
প্রথম ধাপে প্লে থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া হয়। সিভিল সার্জন ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা টিকা কার্যক্রম চলাকালীন মাদ্রাসায় উপস্থিত থাকেন। শিক্ষার্থীরা টিকা নেওয়ার পর কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি বলে জানা গেছে।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা আবু ইউসুফ বলেন, কোভিড টিকা সংক্রান্ত গুজবের কারণে অভিভাবকরা প্রথমে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। পরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বোঝানোর পর তারা সন্তানের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
স্টাফ রিপোর্টার 






















