দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীতে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য বিএনপির বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। এই সফরকে ঘিরে রাজশাহীজুড়ে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
দলীয় সূত্র জানায়, রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মোট ১৩টি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরা এই জনসভায় অংশ নেবেন। আজ দুপুর ২টার দিকে তারেক রহমান জনসভায় যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা রাজশাহীতে অবস্থান নিয়েছেন। জনসভাকে সফল করতে কয়েক দিন ধরেই চলছে মাইকিং, পোস্টারিং ও ব্যাপক গণসংযোগ।
এর আগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির উদ্যোগে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জানানো হয়, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে মঞ্চ, শব্দব্যবস্থা, শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক নিরাপত্তাসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে মহানগর ও জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি সূত্রে আরও জানা গেছে, সর্বশেষ ২০০৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের এক সম্মেলনে যোগ দিতে রাজশাহীতে এসেছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ বিরতির পর তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিভাগজুড়ে নির্বাচনি আবহ তৈরি হয়েছে। কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে সমাবেশস্থল প্রস্তুত করেছেন এবং জনসভায় বিপুল জনসমাগমের প্রত্যাশা করছেন।
রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত বলেন, এই জনসভায় মানুষের ঢল নামবে। তাঁদের ধারণা, প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষের উপস্থিতি হতে পারে। সেই সম্ভাবনাকে সামনে রেখে স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও যুবদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মাঠে কাজ করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে তারেক রহমানের এই রাজশাহী সফর বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণায় নতুন গতি আনবে এবং উত্তরাঞ্চলের রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
স্টাফ রিপোর্টার 






















