০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭৫ বছর বয়সে বিয়ে, সকালেই মত্যু

 

ভারতের উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর জেলার কুছমুছ গ্রামে একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ সঙ্গরুরাম দীর্ঘ নিঃসঙ্গ জীবন কাটানোর পর ৩৫ বছর বয়সী এক নারীর সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, বিয়ের ঠিক পরের সকালে তার মৃত্যু ঘটে, ফলে নববধূর সঙ্গে তিনি এক রাতের বেশি সময় কাটাতে পারেননি।

 

স্থানীয় সূত্রের খবর, সঙ্গরুরামের স্ত্রী প্রায় এক বছর আগে মারা গিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন নিঃসঙ্গ থাকা এবং সঙ্গের তাগিদে তিনি নববধূর সঙ্গে সংসার শুরু করতে চেয়েছিলেন। পরিবারের অনুমতি নিয়ে এবং স্থানীয় রীতিনীতির প্রেক্ষাপটে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

 

এই ঘটনায় গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেছেন, বয়সের এত বড় ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও বৃদ্ধির ইচ্ছা ছিল নিঃসঙ্গতার শূন্যতা পূরণ করার। তবে এমন হঠাৎ মৃত্যু সকলকে স্তব্ধ করেছে। নববধূ এখনও শোকাহত ও মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়সে এত ফারাক থাকা দম্পতির মধ্যে শারীরিক সমস্যা এবং হঠাৎ মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। সামাজিক দিক থেকেও এটি একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা। সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি প্রচারিত হওয়ায় নেটিজেনদের মধ্যে নানান প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বৃদ্ধির সাহসের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ এই বিয়ের অনিশ্চয়তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

 

এই ঘটনাটি সমাজে বয়স ও দাম্পত্য সম্পর্কে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে। বিশেষ করে, এটি দেখিয়েছে যে নিঃসঙ্গতার জন্য মানুষ জীবনের শেষ সময়ে সঙ্গ খুঁজতে পারে, কিন্তু সময়ের অপ্রত্যাশিততার কারণে পরিস্থিতি অচেনা হয়ে দাঁড়ায়।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :
অধিক পঠিত

মাদকের বিরুদ্ধে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে সোচ্চার হতে হবে: বকশীগঞ্জ ইউএনও

মদনে বাসা ভাড়া নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, দুই শিক্ষিকাসহ গ্রেপ্তার ৩

06 October 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

৭৫ বছর বয়সে বিয়ে, সকালেই মত্যু

পোষ্টের সময় : ০২:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

 

ভারতের উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর জেলার কুছমুছ গ্রামে একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ সঙ্গরুরাম দীর্ঘ নিঃসঙ্গ জীবন কাটানোর পর ৩৫ বছর বয়সী এক নারীর সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, বিয়ের ঠিক পরের সকালে তার মৃত্যু ঘটে, ফলে নববধূর সঙ্গে তিনি এক রাতের বেশি সময় কাটাতে পারেননি।

 

স্থানীয় সূত্রের খবর, সঙ্গরুরামের স্ত্রী প্রায় এক বছর আগে মারা গিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন নিঃসঙ্গ থাকা এবং সঙ্গের তাগিদে তিনি নববধূর সঙ্গে সংসার শুরু করতে চেয়েছিলেন। পরিবারের অনুমতি নিয়ে এবং স্থানীয় রীতিনীতির প্রেক্ষাপটে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

 

এই ঘটনায় গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেছেন, বয়সের এত বড় ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও বৃদ্ধির ইচ্ছা ছিল নিঃসঙ্গতার শূন্যতা পূরণ করার। তবে এমন হঠাৎ মৃত্যু সকলকে স্তব্ধ করেছে। নববধূ এখনও শোকাহত ও মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়সে এত ফারাক থাকা দম্পতির মধ্যে শারীরিক সমস্যা এবং হঠাৎ মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। সামাজিক দিক থেকেও এটি একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা। সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি প্রচারিত হওয়ায় নেটিজেনদের মধ্যে নানান প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বৃদ্ধির সাহসের প্রশংসা করেছেন, আবার কেউ কেউ এই বিয়ের অনিশ্চয়তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

 

এই ঘটনাটি সমাজে বয়স ও দাম্পত্য সম্পর্কে নতুন আলোচনার সূত্রপাত করেছে। বিশেষ করে, এটি দেখিয়েছে যে নিঃসঙ্গতার জন্য মানুষ জীবনের শেষ সময়ে সঙ্গ খুঁজতে পারে, কিন্তু সময়ের অপ্রত্যাশিততার কারণে পরিস্থিতি অচেনা হয়ে দাঁড়ায়।

 

Share this news as a Photo Card