ময়মনসিংহে জামায়াত নেতার ছেলের ছুরিকাঘাতে নিহত রানা মিয়ার পরিবারকে এক মাসের খাদ্য সহায়তা দিয়েছে বিএনপি নেতা মো. আব্দুস সেলিম।
মো. আব্দুস সেলিম ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক। তিনি সেলিম ডা. হিসাবে পরিচিত।
রবিবার (৭ জুন) রাত ১১ টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য ঈশ্বরদিয়া নিহত বিএনপি কর্মী রানা মিয়ার বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেন মো. আব্দুস সেলিম।
খাদ্য সহায়তায় রয়েছে- চাল, ডাল, আলু, তেল, চিনি, সাবান, আম, বিস্কুট, শিশু খাদ্য, নারকেলি তেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী।
গত মঙ্গলবার (২ জুন) বিকাল ৫ টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যাপাড়া গ্রামে রানা মিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে জামায়াত নেতার ছেলে। এ ঘটনায় আহত হয় আরও ৪ জন।
নিহত রানা মিয়া একই এলাকার মৃত শরাফ উদ্দিনের ছেলে। সে পেশায় অটোরিকশা চালক ছিল। সে বিএনপির কর্মী ছিল। আহতরা হলেন, আশাদ (৩৬), মোফাজ্জল (৩৫), শাহান (৪৫), মুনসুর আলী (৫০), শাকিল (৩০),দিনি মিয়া (৩৫)।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে নিহতের বড় ভাই মোফাজ্জর হোসেন বাদি হয়ে জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলাম মফিদুল ইসলাম মাস্টারসহ ১০ জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা ১২/১২ জনকে আসামি করে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। প্রধান আসামী মফিদুল ইসলাম মাস্টার ময়মনসিংহ মহানগর জায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য।
মামলায় চারজনকে দেখিয়ে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। তারা হলেন, মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মাহমুদুল ইসলাম মাহিন (২০), আলী হোসেনের ছেলে তোফাজ্জল হোসেন (৪০), তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে হূমায়ুন কবীর আকাশ (২৩), চান মিয়ার ছেলে মনিরুল ইসলাম (২৪)। তারা প্রত্যেকেই নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

স্টাফ রিপোর্টার 




















