ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল শনিবার (৬ ডিসেম্বর)। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত দেড় ঘণ্টা ধরে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যে ঢাকাসহ নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে পৌঁছাতে শুরু করেছেন।
পরীক্ষা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই নয়—ঢাকার বাইরের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়েও একযোগে নেওয়া হবে। রাজধানীর বাইরে পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এতে ঢাকার বাইরে থাকা শিক্ষার্থীদের ভ্রমণ ও ঝক্কি কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন অভিভাবকেরা।
ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ১ হাজার ৫০টি। এর বিপরীতে আবেদন করেছে ৩৪ হাজার ৬২ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী। ফলে প্রতি আসনের বিপরীতে প্রতিযোগিতা করেছেন ৩২ জন পরীক্ষার্থী, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিটভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার মধ্যে অন্যতম উচ্চ প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আসন বণ্টন অনুযায়ী ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৯৩০ জন, বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৯৫ জন এবং মানবিক বিভাগ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন। এ কারণে তিন বিভাগ থেকেই পরীক্ষার্থীদের কঠিন প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে। প্রশ্নপত্রের ধরণ বিশ্লেষণে দেখা যায়—ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের পরীক্ষায় ইংরেজি, বাংলা, গণিত, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিশ্লেষণমূলক দক্ষতা যাচাই করা হয়।
প্রতিবছরের মতো এবারও পরীক্ষার নিরাপত্তা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও প্রশ্নফাঁস রোধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। ক্যাম্পাস ও বাইরের কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ, মোবাইল ফোন নিষিদ্ধকরণ এবং কেন্দ্রভিত্তিক বিশেষ টাস্কফোর্সের তদারকি থাকবে বলে জানা গেছে।
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের অনেকে মনে করছেন, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের আসন সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হলেও আবেদনকারীর চাপ এত বেশি যে প্রকৃত অর্থেই ‘ভর্তিযুদ্ধ’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঢাবিতে ভর্তিকে কর্মজীবন ও উচ্চশিক্ষার বড় ভিত্তি হিসেবে দেখছেন অনেকেই।
স্টাফ রিপোর্টার 


























