০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নকলায় সব স্কুলে বিনা খরচে মিড ডে মিল

 

শেরপুরের নকলা উপজেলায় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ চালু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ঘাটতি কমানো এবং পাঠদানে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ফিডিং’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হয়। সোমবার দুপুরে নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ৪৭২ জন শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে ইউএইচটি দুধ তুলে দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুজ্জামান এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রোমান হাসান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল নাহিদ, রুজিনা খাতুন, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর শাহিনুর সিদ্দিকী এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান উজ্জলসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আজ থেকে নকলা উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদানের দিনে উপস্থিত প্রতিটি শিক্ষার্থী বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার পাবে। খাবারের তালিকায় রয়েছে একটি বনরুটি, একটি ইউএইচটি দুধের প্যাকেট, ফরটিফাইড বিস্কুট এবং সপ্তাহে দুদিন সেদ্ধ ডিম ও স্থানীয় মৌসুমি ফল অথবা কলা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধিই মূল লক্ষ্য।

 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ‘মিড ডে মিল’ কার্যক্রম চালুর ফলে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা শুধু পুষ্টিই পাবে না, বরং বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ ও অংশগ্রহণও বাড়বে। নকলা উপজেলার সব স্কুলে একযোগে এই কর্মসূচি শুরুর মধ্য দিয়ে সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ও পুষ্টি কর্মসূচি বাস্তবায়নে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যুক্ত হলো।

 

এই উদ্যোগ থেকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খাবার সরবরাহ কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে শেখার পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার মান ইতিবাচকভাবে পরিবর্তিত হবে।

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগ :

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৬৭

কেন্দুয়ায় ভেজাল সার ও কীটনাশক তৈরির কারখানায় অভিযান, অর্থদণ্ড ১ লাখ টাকা

30 July 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.dailybexpress.com

নকলায় সব স্কুলে বিনা খরচে মিড ডে মিল

পোষ্টের সময় : ০১:৩৯:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

 

শেরপুরের নকলা উপজেলায় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড ডে মিল’ চালু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ঘাটতি কমানো এবং পাঠদানে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ফিডিং’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হয়। সোমবার দুপুরে নকলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ৪৭২ জন শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে ইউএইচটি দুধ তুলে দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ ফখরুল আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুজ্জামান এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রোমান হাসান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল নাহিদ, রুজিনা খাতুন, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর শাহিনুর সিদ্দিকী এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান উজ্জলসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আজ থেকে নকলা উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদানের দিনে উপস্থিত প্রতিটি শিক্ষার্থী বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার পাবে। খাবারের তালিকায় রয়েছে একটি বনরুটি, একটি ইউএইচটি দুধের প্যাকেট, ফরটিফাইড বিস্কুট এবং সপ্তাহে দুদিন সেদ্ধ ডিম ও স্থানীয় মৌসুমি ফল অথবা কলা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়ন, সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধিই মূল লক্ষ্য।

 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ‘মিড ডে মিল’ কার্যক্রম চালুর ফলে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা শুধু পুষ্টিই পাবে না, বরং বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ ও অংশগ্রহণও বাড়বে। নকলা উপজেলার সব স্কুলে একযোগে এই কর্মসূচি শুরুর মধ্য দিয়ে সারাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ও পুষ্টি কর্মসূচি বাস্তবায়নে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ যুক্ত হলো।

 

এই উদ্যোগ থেকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খাবার সরবরাহ কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে শেখার পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার মান ইতিবাচকভাবে পরিবর্তিত হবে।

 

Share this news as a Photo Card