পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ২৬ পর্যটক, কড়া নিরাপত্তা ও তল্লাশি অভিযান শুরু
ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বাইসরন মিডো এলাকায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ২৬ জন পর্যটক নিহত হয়েছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। রবিবার বিকেলে সেনা পোশাকে সজ্জিত একদল সন্ত্রাসী হঠাৎ পর্যটকদের লক্ষ্য করে গুলি চালালে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। আতঙ্কিত পর্যটকদের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এলে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে অনন্তনাগসহ আশপাশের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হামলার পরপরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শ্রীনগরে পৌঁছান এবং সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠক আহ্বান করেন। নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং হামলাকারীদের ধরতে পহেলগাঁও শহরজুড়ে অভিযান শুরু করে। দুর্গম বাইসরন এলাকায় যাতায়াত কেবল পায়ে হেঁটে বা ঘোড়ায় সম্ভব, যা উদ্ধার অভিযানে চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই হামলার নিন্দা জানিয়ে শোক প্রকাশ করেন এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসার নির্দেশ দেন। দিল্লিতে ডাকা জরুরি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা, গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজি।
হামলার ঘটনায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীসহ বহু রাজনৈতিক নেতা গভীর শোক ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। মমতা ব্যানার্জি এক্স হ্যান্ডেলে বলেন, এই নৃশংসতা গ্রহণযোগ্য নয় এবং অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
পহেলগাঁওয়ের এই হামলা নতুন করে জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।


























