বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনাকে পুরোপুরি চাপে রেখে দাপুটে ফুটবল খেলেছে স্পেন। বল দখল, আক্রমণ, সুযোগ সৃষ্টি—প্রায় সব পরিসংখ্যানেই এগিয়ে ছিল লা রোজা। তবে এমিলিয়ানো মার্টিনেজের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ এবং আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোলশূন্য অবস্থাতেই বিরতিতে যায় দুই দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। ৫ মিনিটেই লামিন ইয়ামাল গোলের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করলেও লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের যৌথ প্রচেষ্টায় সেই সুযোগ নষ্ট হয়। অন্যদিকে ৭ মিনিটে লিওনেল মেসিকে নিশ্চিত গোল করা থেকে দুর্দান্তভাবে বঞ্চিত করেন স্পেন গোলরক্ষক উনাই সিমন।
প্রথম ২৩ মিনিটে মাত্র ৩২ শতাংশ বলের দখল রাখতে পারে আর্জেন্টিনা। মেসি, নিকো গঞ্জালেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ—এই তিন ফরোয়ার্ড মিলে এ সময়ে মাত্র ১৭ বার বলে স্পর্শ করেন, যা স্পেনের নিয়ন্ত্রণের চিত্র স্পষ্ট করে।
মিডফিল্ডে অধিনায়ক রদ্রির অসাধারণ পারফরম্যান্স স্পেনকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। রক্ষণে তৃতীয় সেন্টার-ব্যাকের ভূমিকায় যেমন কার্যকর ছিলেন, তেমনি আক্রমণ গড়তেও রাখেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
৩৯ মিনিটে লাপোর্তে, রদ্রি ও বায়েনার চমৎকার পাসিং মুভ থেকে ওয়ারজাবাল শক্তিশালী শট নিলেও নিচু হয়ে দুর্দান্ত সেভ করেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। দুই মিনিট পর ওয়ারজাবালকে ফাউল করে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। ইনজুরির কারণে কিছুক্ষণ পর তার জায়গায় মাঠে নামেন নিকোলাস ওতামেন্দি।
শেষদিকে কুকুরেয়ার একটি প্রচেষ্টা অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে গেলে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। ফলে স্পেনের স্পষ্ট আধিপত্য থাকলেও গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথমার্ধ।

স্পোর্টস ডেস্ক 
























